পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একই সঙ্গে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার ও মানবাধিকার সমুন্নত রেখে পুলিশ-জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
১০ মে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অনেকাংশে নির্ভর করে পুলিশ বাহিনীর সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও শৃঙ্খলার ওপর। জাতীয় বিভিন্ন আয়োজন ও ক্রান্তিকালীন সময়েও পুলিশের নৈর্ব্যক্তিক, পেশাদার ও জনবান্ধব ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। এজন্য বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে অপরাধের ধরন দিন দিন জটিল ও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যাচার, চরিত্র হনন, আর্থিক প্রতারণা, জঙ্গিবাদ, মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের এআই, ডেটা অ্যানালিটিকস, সিসিটিভি নজরদারি ও ডিজিটাল ফরেনসিকসসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সেবামুখী মনোভাব গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে হবে।